উপকূল থেকে 'Exclusive Economic Zone' - নটিক্যাল মাইল
উপকূল থেকে 'Exclusive Economic Zone' - নটিক্যাল মাইল
-
ক
২২
-
খ
৪৪
-
গ
২০০
-
ঘ
৩৫০
C. ২০০
জাতিসংঘের ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন (UNCLOS) অনুযায়ী, কোনো উপকূলীয় রাষ্ট্রের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা বা টেরিটোরিয়াল সি (Territorial Sea) ১২ নটিক্যাল মাইল এবং একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল বা Exclusive Economic Zone (EEZ) উপকূলের ভিত্তিরেখা থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে। এই সীমানার মধ্যে সংশ্লিষ্ট দেশ সামুদ্রিক সম্পদ আহরণ, মৎস্য শিকার এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রে একচেটিয়া সার্বভৌম অধিকার ভোগ করে। তবে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অঞ্চলটি মহীসোপান (Continental Shelf) হিসেবে পরিচিত, যেখানে কেবল সমুদ্রতলের খনিজ সম্পদের ওপর অধিকার থাকে।
সমুদ্রসীমার অঞ্চল (Maritime Zones) বলতে মহাসাগর বা সমুদ্রের সেই সকল অংশকে বোঝায়, যার উপর উপকূলীয় রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট অধিকার ও কর্তৃত্ব প্রয়োগ করতে পারে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সনদ ১৯৮২ অনুসারে সমুদ্রসীমা বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত, যেমন—রাষ্ট্রীয় জলসীমা (১২ নটিকাল মাইল), সংলগ্ন অঞ্চল (২৪ নটিকাল মাইল), একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল বা EEZ (২০০ নটিকাল মাইল), মহীসোপান এবং মুক্ত সাগর। রাষ্ট্রীয় জলসীমার মধ্যে রাষ্ট্র পূর্ণ সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে, সংলগ্ন অঞ্চলে শুল্ক, অভিবাসন ও স্বাস্থ্য আইন কার্যকর করা যায় এবং EEZ অঞ্চলে মৎস্য সম্পদ ও প্রাকৃতিক সম্পদ অনুসন্ধান ও আহরণের একচেটিয়া অধিকার রাষ্ট্রের থাকে। মহীসোপান হলো সমুদ্রতলের সেই অংশ যেখানে রাষ্ট্র খনিজ সম্পদ আহরণের অধিকার ভোগ করে, যা বিশেষ ক্ষেত্রে ৩৫০ নটিকাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। মুক্ত সাগর হলো ২০০ নটিকাল মাইলের বাইরে অবস্থিত সমুদ্রাঞ্চল, যেখানে সকল রাষ্ট্র নৌচালনা, বিমান চলাচল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও মৎস্য আহরণের স্বাধীনতা ভোগ করে। বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের সমুদ্রসীমা আইন এবং জাতিসংঘের সমুদ্র আইন সনদের আলোকে তার সমুদ্রসীমা নির্ধারণ করেছে এবং ২০১২ সালে মায়ানমার ও ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ের মাধ্যমে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বিশেষত বাঁকা ও পরিবর্তনশীল উপকূলরেখা এবং পলিবাহিত নদীর কারণে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণ জটিল হলেও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে আজ বাংলাদেশ বঙ্গোপসাগরে তার ন্যায্য অধিকার ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে।
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার চার স্তর:
✅রাজনৈতিক জলসীমা/আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা: ১২ নটিক্যাল মাইল
✅সন্নিহিত অঞ্চল (Contiguous Zone): ২৪ নটিক্যাল মাইল
✅একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (EEZ): ২০০ নটিক্যাল মাইল
✅মহীসোপান (Continental Shelf): ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল
Related Question
View Allউপকুল হতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?
-
ক
২৫০ নটিক্যাল মাইল
-
খ
২২৫ নটিক্যাল মাইল
-
গ
২২০ নটিক্যাল মাইল
-
ঘ
২০০ নটিক্যাল মাইল
উপকূল হতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত নটিক্যাল মাইল?
-
ক
১৭৫
-
খ
২৭৫
-
গ
২৫০
-
ঘ
২০০
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত নটিক্যাল মাইল?
-
ক
২৬০ মাইল
-
খ
২৪০ মাইল
-
গ
২২০ মাইল
-
ঘ
২০০ মাইল
বাংলাদেশের টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা কত?
-
ক
২২ নটিক্যাল মাইল
-
খ
১২ নটিক্যাল মাইল
-
গ
২২০ নটিক্যাল মাইল
-
ঘ
২০০ নটিক্যাল মাইল
উপকূল থেকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমার বিস্তার কত?
-
ক
১৫০ নটিক্যাল মাইল
-
খ
২০০ নটিক্যাল মাইল
-
গ
২২৫ নটিক্যাল মাইল
-
ঘ
২৫০ নটিক্যাল মাইল
বাংলাদেশের টেরিটরিয়াল সমুদ্রসীমা কত?
-
ক
২২ নটিক্যাল মাইল
-
খ
১২ নটিক্যাল মাইল
-
গ
২২০ নটিক্যাল মাইল
-
ঘ
২০০ নটিক্যাল মাইল
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন